অনলাইন ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯ ইরানি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছে বলে বুধবার জানিয়েছেন ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কাল্লাস। তেহরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ দমনে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগের ভিত্তিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রের মতে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েননি।
কাল্লাস বলেন, ‘ইরান যুদ্ধ চলতে থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়নের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
তিনি বলেন, ‘এটি তেহরানকে একটি বার্তাও দিচ্ছে যে দমন-পীড়নের ওপর ভিত্তি করে ইরানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।’
জানুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হয়, যাতে হাজারো মানুষ নিহত হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বোমা হামলার প্রথম দিকে বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতাবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
২০১১ সাল থেকে ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে, যার মধ্যে লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত।