দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম খাত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)সেই এলজিইডি সিলেট বিভাগে জনবল সংকটের কারণে কাজের মান উন্নয়নে চরম ব্যাঘাত সহ খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে উন্নয়ন মূলক কাজের গতি।
সিলেট এলজিইডি বিভাগের বিশ্বস্ত সূত্র মতে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটিতে কারিগরি (প্রকৌশলী) ও প্রশাসনিক বিভাগ সহ চৌদ্দটি পদে ১৩ টি উপজেলায় ২৬০ জন জনবল থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে আছে ১১৭ জন লোক। সার্বিক পদে শূন্য রয়েছে কারিগরি সহ ১৪৩ জন জনবল। শূন্য রয়েছে কয়েকটি উপজেলার উপজেলা প্রকৌশলীর পদও।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি গত ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিলেট এলজিইডি বিভাগে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই জনবল সংকটের কারণে কাজের অগ্রগতিতে ব্যাঘাত সহ কাজের মান ধরে রাখাটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে বলে জানান। কারণ হিসেবে মামুন খান বলেন, এলজিইডি বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদ সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো কারিগরি পদ গুলি। এই কারিগরি পদ সমূহে চাহিদা অনুযায়ী লোক না থাকার কারণে কাজের চরম ব্যাঘাত সহ ধীর গতিতে চলছে উন্নয়ন মূলক কাজ। পর্যাপ্ত পরিমাণে সুপারভিশনে জনবল না থাকায় কাজের মান উন্নয়ন ঠিক রাখাটাও চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। মামুন খান আরো জানান, লোকবল সংকটে স্কীম প্রস্তুতেও খুব সমস্যা হচ্ছে। মামুন খান আরো বলেন, এলজিইডি বিভাগে সারাদেশে প্রতি বছর বহু কর্মকর্তা কর্মচারী অবসর গ্রহণ করলেও শূন্য পদ গুলিতে নতুন করে নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ না করার কারণে এলজিইডি বিভাগে জনবল সংকট হওয়ার মুল কারণ বলে জানান। তিনি আরো বলেন, শুধু সিলেটই নয় সারাদেশে এলজিইডি বিভাগে জনবল সংকটের কারণে দ্রুত কাজ শেষ করতে সমস্যা সহ কাজের মান ব্যাহত হচ্ছে।
উপরে উল্লেখিত বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে এলজিইডি'র প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন এর নিকট বক্তব্য চেয়ে নক দিলেও তিনি তার কোন মন্তব্য কিংবা বক্তব্য দেননি।