সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার-ম্যাডাম ডাকার রীতি নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

জাতীয়

ডেস্ক রিপোর্ট :
সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলে সম্বোধনের কোনও রীতি নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, স্যার শব্দের অর্থ মহোদয়, আর ম্যাডাম অর্থ মহোদয়া। রুলস অব বিজনেসে দুটোর কোনটিই নেই।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ এ সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহেনুর মিয়া, সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসিল্যান্ড অফিসে অনেক ঝামেলা ছিল, এখন ডিজিটালাইজেশনের কারণে সেই ঝামেলা নেই। এখন ৯৫ শতাংশ কর্মকর্তাই সফল হচ্ছেন। বাকি ৫ শতাংশ কর্মকর্তা পাবলিক কমিউনিকেশনে সুন্দর করে কথা বললে এমন হতো না। কাউকেই তার আইনি এখতিয়ারের বাইরে আচরণ করা উচিত না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কীভাবে কাজ করতে হবে- সে বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল‑ যারা সেবা নিতে আসেন তাদের দিকে তাকাও, তারা তোমার বাবার মতো, ভাইয়ের মতো, আত্মীয়ের মতো। সেবা নিতে আসে জনগণ। তাদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়।

বিভাগীয় কমিশনার থেকে মাঠ প্রশাসনকে আমরা নির্দেশনা দেই- জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে এখানে কোনও ভেদাভেদ থাকবে না। হাসিমুখের অ্যাটিচিউটটা খুবই ইম্পর্টটেন্ট। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল, এটা কখনও করা যাবে না।

সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজনীতিকদের মতানৈক্য নিয়ে এক প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, কয়টি ঘটনা ঘটেছে সেটা দেখা দরকার। বরিশালে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। করোনার মধ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অত্যন্ত আন্তরিকভাবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বেশি জনমুখী হয়েছি। বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।