
কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের আমতলী এলাকায় বছরের পর বছর ধরে আবাসিক বডিংয়ের আড়ালে অবৈধ দেহ ব্যবসা সহ বসছে মাদকের জমজমাট আসর।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, এই হোটেলটি বিগত দিনে “অভি” হোটেল নামে পরিচিত ছিলো বেশ কয়েকবার সিলগালা আর একাধিকবার মামলা দেওয়ার পর নাম পাল্টে হোটেল তিতাস পরিচয়ে চলছে। হোটেলের মালিক জেলার চান্দিনা উপজেলার সাবেক এমপি ডা. প্রাণ গোপাল এর আস্থাভাজন আওয়ামী দোসর জালাল মিয়া বিশেষ কায়দায় কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দেহব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মাদকের জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ।
সরজমিনে জানা যায়,তিতাস আবাসিক নামের হোটেলটি দেহ ব্যবসার হোটেল নামেই কুমিল্লার সু- পরিচিত,গত কয়েক বছরে হোটেলটি একাধিকবার র্যাব,পুলিশ প্রশাসন বন্ধ করার পরও কয়েকদিন পর পুনরায় হোটেল মালিক স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বছরের পর বছর অবৈধ দেহ ব্যবসাসহ মাদক আড্ডা ঘর হিসেবে চালিয়ে যাচ্ছে,সরেজমিনে আরো জানা যায়, কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানার অধিন্যাস্ত ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নাজিরা বাজার পুলিশ ফাঁড়ীর আইসি ও কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে ম্যানেজ করেই হোটেলটির মালিক আবাসিক বোডিং এর আড়ালে দেহ ব্যবসাসহ মাদকের আড্ডা খানা বানিয়ে রেখেছে হোটেলটিকে।
হোটেল তিতাস আবাসিক এর অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কুমিল্লার ক্যান্টনমেন্টন আশপাশ এলাকার স্থানীয় বসবাসকারী লোকজনের সাথে কথা বললে তারা গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘ বছরের পর বছর হোটেলটিতে দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে ,এতে করে হোটেলটির আশপাশ এলাকার উঠতি বয়সের যুবক ছেলেরা বিপথে যাচ্ছে,হোটেলটিতে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি মাদকের আড্ডা থাকায় এলাকার ছেলেরা সহজে মাদকে আসক্ত হচ্ছে, স্থানীয়রা আরো জানান,গত কয়েক বছর ধরে হোটেলটিতে কাউকে তোয়াক্কা না করে স্থানীয় থানার পুলিশকে ম্যানেজ করে বিরতিহীন ভাবে এসব অসামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকাবাসী আরো জানান, হোটেলটির মালিকের বাড়ী কুমিল্লার অন্য একটি উপজেলায় হলেও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সেল্টারে এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে রফা করে বছরের পর বছর দেহ ব্যবসা ও মাদকের জমজমাট আসর চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ পুলিশ প্রশাসনের সাথে রফা করেই তারা প্রকাশ্যে মাদক এবং দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ না করে এমন জগন্য কার্যকলাপ কখনো সম্ভব নয়,এলাকাবাসী ও সচেতন মহল হোটেল তিতাস আবাসিক জরুরী বন্ধের জোর দাবী জানাচ্ছে এবং কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার সহ র্যাব প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে প্রশাসনিক ব্যবস না নেওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে নিউজ চলবে।